Translate

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

মোহাম্মদী ইসলামের মিলাদ শরীফ

 


আ'উযু বিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম


"ইন্নাল্লাহা ওয়া মালাইকাতাহু ইউসাল্লুনা 'আলান নাবিইয়্যি,

ইয়া আইয়্যুহাল্লাযীনা আমানু সাল্লু 'আলাইহি ওয়া সাল্লিমূ তাসলীমা"-


দরুদ শরীফ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


নুর নবিজির আগমনে জগৎ হলো উজালা

পড়েন দরুদ তাঁর উপরে ওহে আশেক নিরালা!


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


আপনার এশকে সকল সৃজন ঐ আকাশ আর এই জমিন

সকল সৃষ্টির মূলে আপনি রাহমাতাল্লিল আলামিন!


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


তুর পাহাড়ে মুসা নবি জুতা খোলার আদেশ পায়

দয়াল রাসুলের জুতার ধূলায় আল্লাহর আরশ ধন্য হয়! 


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


আপনি আল্লাহ জ্যোতি ঝলমল হে ইমামুল মুরসালিন

পড়েন দরুদ ফেরেস্তাদের নিয়ে স্বয়ং রাব্বুল আলামিন!


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


প্রাণের রাসুল হিজরত করে যেদিন গেলেন মদীনায় 

মরণ জেনেও হযরত আলী শুইলেন তাঁর বিছানায়!


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী মোহাম্মদী ইসলাম জাগালেন 

তাঁর শিক্ষাতে কত আশেক রাসুল পাককে দেখিলেন!


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


দরুদ আরো সালাম জানাই রাসুল আপনার পাক রওজায় 

ত্বরাইয়া নিবেন মরণকালে বাবা দেওয়ানবাগীর উসিলায়!


আল্লাহুম্মা ছাল্লি 'আলা সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ

ওয়া 'আলা আলি সাইয়্যিদিনা মাওলানা মোহাম্মদ!!


কাছিদা শরীফ


নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি 'আলা রাসুলিহিল কারীম,

"ওয়ামা আরসালনাকা ইল্লা রাহমাতাল্লিল 'আলামীন"-


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


আমার মউতের নিদানকালে 

আসিবেন মোর্শেদগো রাসুলকে নিয়ে! 

দেখিব আমি হৃদয় জুড়াইয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


পাই যদি রাসুল আপনার দিদার 

মউতের কষ্ট থাকবে না আমার! 

শান্তি পাবগো আপনাকে দেখিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


মারা যাওয়ার পরে রাখবে না ঘরে 

গোসল করাবেন দয়াল প্রেমের ফায়েজে! 

তারই পরশে গুনাহ্ যাবে ঝরিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


গোসল করাইয়া কাফন পরাইয়া 

বিদায় দিবে আমায় সবাই মিলিয়া! 

চলিব দয়ালগো আপনার কদম ধরিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ!!


জানাজার মাঠে নিবে খাটে করিয়া 

কাঁদিব আমি সব কিছু হারাইয়া! 

থাকিবেন দয়ালগো আমার সাথে মিশিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


জানাজা শেষে খাটেতে করিয়া 

গোরস্থানে নিবে কাঁধেতে তুলিয়া! 

বলে দেন দয়ালগো শাফায়াতের লাগিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


অন্ধকার কবরে আমায় একা রাখিয়া 

আপনজন সকলে যাবে যখন চলিয়া! 

আসিবেন মোর্শেদগো রাসুলকে নিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


মুনকার নাকির আসিয়া ছাওয়াল করবে বসাইয়া 

জবাব দিবো আমি আপনাকে দেখিয়া! 

চুমিবো আমি আপনার কদম ধরিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


দেওয়ানবাগীর আশেক হইতে যে পারে 

রাসুল দয়া করে দেখা দেন তারে! 

কবুল করিবেন তিনি উম্মত বলিয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


আশেকের মিলাদে হাজির হন রাসুলে 

দেখা যায় তাঁকে অন্তরচক্ষু খুলিলে!

তাঁর সম্মানে আসুন সালাম জানাই দাঁড়াইয়া!!


ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্ 

ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ইয়া হাবীবাল্লাহ্!!


ক্বিয়াম শরীফ


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


আরবের মরু প্রান্তরে - পাঠালেন প্রভু আপনারে 

হযরত আব্দুল্লাহর শাহী প্রাসাদে - হযরত আমিনা মায়ের উদরে! 


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসূল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


বারই রবিউল আউয়ালে - সোমবারের প্রভাতকালে 

জন্মিলেন নুরের ছেলে হযরত আমিনা মায়ের কোলে!


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


রাসুলের পিতা হযরত আব্দুল্লাহ্ (আ.)- রাসুলের মাতা হযরত আমিনা (আ.) 

রাসুলের দুধমা হযরত হালিমা (আ.) - রাসুলের রওজা মদীনা!


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


কুল-মাখলুক উদ্ধার করিতে - কত কষ্ট করলেন ধরাতে 

কাঁদিতেন উম্মতের মায়ায় - এখনো কাঁদেন মদীনায়!!


ইয়া ইমাম সালামু আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


হাশরে রাসুল দো-জাহান- কাঁদিয়া হবেন পেরেশান 

বলবেন হে পরওয়ারদিগার - মাফ করো উম্মত আমার!


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


যে করবে মোর্শেদের অনুসরণ - পাবে সে রাসুলের দর্শন 

মসিবতে পাবে সে উদ্ধার - হবে তার মাওলার দিদার!


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


সূফী সম্রাটের উসিলা ধরে - ডাকিগো রাসুল আপনারে 

দেখা দেন দয়া করিয়া - এ আরজ আপনার কদমে!


ইয়া ইমাম সালামু 'আলাইকা - ইয়া রাসুল সালামু 'আলাইকা 

ইয়া হাবীব সালামু 'আলাইকা - ছালাওয়া তুল্লাহ্ 'আলাইকা!!


বালাগাল 'উলা বিকামালিহি - কাশাফাদ্ দোজা বিজামালিহি

হাছুনাত জামি'উ খিছালিহি - সালু 'আলাইহি ওয়া আলিহি

সাল্লিমু ইয়া ক্বাওমুবাল - সালু 'আলা সাদরিল আমীন 

মোস্তফা মা জাআ ইল্লা - রাহমাতাল্লিল 'আলামীন।

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

মুসলমানের প্রতি মুসলমানের ৬ টি অধিকারসমূহ


একজন মুসলমানের প্রতি অপর মুসলমানের ছয়টি অধিকার রয়েছে। এ প্রসঙ্গে হযরত আলী কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু হতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন,


হযরত রাসুল (সা.) এরশাদ করেন: এক মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের সদ্ব্যবহার স্বরূপ ৬টি হক রয়েছে।

১. যখন তার সাথে সাক্ষাৎ হবে তাকে সালাম দিবে।

২. সে তাকে ডাকলে ডাকে সাড়া দিবে।

৩. যখন সে হাঁচি দিবে, তখন- ﴾يَرْحَمُكَ اللَّهُ﴿ ) ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ্ তোমার উপর রহম করুন) বলবে।

৪. সে অসুস্থ হলে খোঁজখবর নিবে।

৫. মৃত্যু হলে তার জানাজায় যাবে।

৬. নিজের জন্য যা পছন্দ করবে তার জন্য সেটি পছন্দ করবে। 


(তিরমিযী ও দারেমী শরীফের সূত্রে মেশকাত শরীফ, পৃষ্ঠা ৩৯৮, মোহাম্মদী ইসলামের তালিম পৃষ্ঠা ২৯৮)

বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সোমবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) পালিত হবে।


বিশ্ব শান্তির দূত, সুসংবাদদাতা, সতর্ককারী, আদর্শের মূর্ত প্রতীক, জগতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাকারী, সৃষ্টি জগতের রহমত, আল্লাহর সমস্ত ধন ভান্ডারে চাবির অধিকারী, আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বন্ধু, উম্মতের মোহাম্মদীর সুপারিশকারী, আশেকে রাসূলদের মাথার তাজ, ইমামুল মুরসালিন হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর শুভ জন্মদিন আগামী ১২ ই রবিউল আউয়াল।


হযরত রাসূল (সা:) ৫৭০ খ্রীস্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল সোমবার সূর্য উদয়ের কিছুক্ষণ পূর্ব এ ধরায় তাশরীফ নেন। তার শুভজন্মকে কেন্দ্র করে আল্লাহর রাজ্য আনন্দের দোলা বয়ে যায়। অত্যাচারীর সিংহাসন কেপে উঠে। হযরত রাসূল (সা:) এর চাচা আবু লাহাব তার জন্মের শুভ সংবাদ পেয়ে কৃতদাসীকে মুক্ত করে দেন। যার কারণে প্রতি সোমবার আবু লাহাবের কবরের আজাব মাফ করা হয়।
প্রতিবছর মুসলিম বিশ্বে হযরত রাসূল (সা:) এর শুভ জন্মদিনের অনুষ্ঠান পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) হিসেবে পালন করা হয়।

মূলত: ঈদ শব্দের অর্থ আনন্দ, আর মিলাদ অর্থ জন্ম, আর নবী মানে নবী। ঈদে মিলাদুন্নবী অর্থ নবী জন্মের আনন্দ। মুসলিম বিশ্বে এ দিবসটি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পালন করা হয়। এ দিবস উপলক্ষে রাসূল প্রেমিকগণ নিজ নিজ বাসস্থান, মসজিদ, খানকাহ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আলোক সজ্জার ব্যবস্থা করেন। প্রতি বাড়িতে ভালো খাবারের আয়োজন করেন। মানুষের মাঝে মিষ্টি, পিঠা বা খাবার বিতরণ করেন, ছেলেমেয়েদের নতুন জামাকাপড় কিনে দেন। সাধ্যানুযায়ী নিজেরাও কেনাকাটা করে। এছাড়া আনন্দ মিছিল, শানে রাসূল, নাতে রাসূল পরিবেশন করেন। বিভিন্ন এলাকায় সম্মিতভাবে বা এককভাবে গরু, মহিষ, উট জবাই করা হয়। কেক কাটা হয়। বেলুন দিয়ে সাজানো হয়। বিভিন্ন ভাবে আনন্দ উৎযাপন করা হয়।

মোহাম্মদী ইসলামের পূনর্জীবনদানকারী সূফী সম্রাট হযরত মাহবুবে খোদা (রহঃ) এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছিলেন -৷ সৃষ্টিকূলের শ্রেষ্ঠ ঈদ, দয়াল রাসূল (সা:) এর জন্ম ঈদ।

মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী মহামানব ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা: আ:) হুজুর প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে এ দিনটিকে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পালনের জন্য সবাইকে আহবান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মাঃ আঃ) হুজুরের ৩৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে ইফতার বিতরণ


৮ এপ্রিল ২০২৩ ইং (১৬ রমজান ১৪৪৪হিজরি) শনিবার,  দেওয়ানবাগ শরীফের পরিচালক ও সমন্বয়ক, সমস্যার ফয়সালাকারী, মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী মহামানব, যুগের ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মাঃআঃ) হুজুরের ৩৮ তম শুভ জন্মবার্ষিকী উৎযাপন উপলক্ষে দেওয়ানবাগীর দল মানিকগঞ্জ জেলা কর্তৃক মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জেলা কারাগারের সামনে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, দেওয়ানবাগীর দল মানিকগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক এআর রুবেল, সহকারী সমন্বয়ক এআর নুরে আলম, উপদেষ্টা এআর আঃ সামাদ, এআর ফজলু মোল্লা, এআর আবুল কালাম সহ আরো অনেকে। 


কদর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ।

 

২১ আগষ্ট ২০২৪ বুধবার কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী সহ দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের অনেকগুলো জেলা আকষ্মিক বন্যায় প্লাবিত হয়। লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। মূলত: ত্রিপুরায় ভারি বর্ষণের ফলে সৃষ্ট হঠাৎ বন্যার পানি গোমতী, হাওড়া, ঢলাই, মুহুরি নদী বেয়ে বাংলাদেশের এ জেলাগুলোতে ঢুকে বন্যার সৃষ্টি করে। যার ফলে বন্যার্ত এলাকায় অসহনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়।

দেশের এমন পরিস্থিতিতে বন্যার্তদের মাঝে সরকারী উদ্যোগ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠন ত্রাণ বিতরণ করেন।

বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ধারাবাহিক ও ব্যতিক্রমীভাবে ত্রাণ বিতরণ করেন ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা: আ:) স্যারের প্রতিষ্ঠিত 'কদর ফাউন্ডেশন'। সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্ন ভাবে প্রতিটি জেলায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

এ সংগঠনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবারের পাশাপাশি ভাত ও মুরগির মাংসের রান্না করা খাবার বিতরণ করতে দেখা যায়। বন্যার্ত এলাকায় শুকনো খাবার খাওয়া মানুষগুলো ভাত ও মুরগির মাংস খেতে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হতে দেখা যায়।

এছাড়াও সংগঠনটির পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ঠান্ডার ওষুধ, মহিলাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, শিশুদের প্যাম্পাস, পানিজনিত ঘায়ের মলম বিতরণ করতে দেখা যায়।

সংগঠনটির সেচ্ছাসেবকবৃন্দ, ট্রাক, পিকাপ, অটো, ভ্যান, নৌকা ও পায়ে হেঁটে দূর্গম এলাকায় গিয়ে বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন।

এ প্রসঙ্গে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বলেন: "আমরা কেউই চিরকাল বেঁচে থাকব না, বেঁচে থাকবে শুধু আমাদের কর্ম ও অর্জিত ভালোবাসা"।

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে কদর ফাউন্ডেশনের এই মহতি ও ভিন্নধর্মী অবদানের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা: আ:) স্যারকে কৃতজ্ঞতা ও তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি।

শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২

ইমাম প্রফেসর ড. কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুরের আগমন উপলক্ষে বাবে বরকতে আশেকে রাসূল (সা.) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 


গত ২৮ জুলাই ২০২২ রোজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অদূরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলাধীন আমিরাবাড়ি ইউনিয়নের কাশিগঞ্জ বাজার সংলগ্ন অবস্থিত বাবে বরকত দেওয়ানবাগ শরীফে আল্লাহর মহান বন্ধু, আম্বিয়ায়ে কেরামগণের বেলায়েত লাভকারী, মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী, আল্লাহর দেয়া পুরস্কারঃ পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি, সূফী সম্রাট হযরত মাহবুব এ খোদা (রহ.) এর সুযোগ্য উত্তরসূরী, মোহাম্মদী ইসলামের নেতৃত্ব প্রদানকারী মহামানব, সীরাজুম মুনিরার ধারক, দেওয়ানবাগ শরীফের পরিচালক, সমন্বয়ক ও সমস্যার ফয়সালাকারী, মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট হতে ধর্ম পরিচালনার দায়িত্ব লাভকারী, সূফী সম্রাট কর্তৃক অসিয়তকৃত মহামানব ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মা.আ.) হুজুর কেবলাজানের আগমনের সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই তাকে একনজর দেখার জন্য পাশ্ববর্তী জেলা থেকে হাজার হাজার আশেকে রাসূলগন এসে ভীড় জমান। যা পরবর্তীতে ২৯ জুলাই ২০২২ শুক্রবার আশেকে রাসূল (সা.) সম্মেলনে রূপান্তরিত হয়ে যায়। 


এমতাবস্থায় ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুর কেবলাজান সবাইকে নিয়ে জামায়াতে জুমার নামাজ আদায় করার পর সবার উদ্দেশ্যে মূল্যবান বাণী মোবারক রাখেন। এরপর তিনি আখেরি মোনাজাত করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করে সবাইকে তাবারুক খাইয়ে বিদায় দেন। 


উল্লেখ্য যে, ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মা.আ.) হুজুর মোহাম্মদী ইসলাম বিশ্বময় প্রচারের জন্য বেশ কয়েক মাস প্রবাসে অবস্থান করেন। আর এতে দীর্ঘদিন আশেকে রাসূলেরা তাদের প্রাণপ্রিয় মহামানবকে সামনাসামনি দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। সম্প্রতি তিনি দেশে ফেরায় তাকে একনজর দেখার জন্য বাবে বরকতে আশেকেদের উপস্থিতিতে এহেন মিলনমেলা সহসা আশেকে রাসূল (সা.) সম্মেলনে রূপ নেয়।

শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২

মোহাম্মদী ইসলাম পরিচালনায় সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী (রহ.) হুজুর কেবলাজানের সর্বশেষ অছিয়তনামা।


 দেওয়ানবাগ শরীফের প্রতিষ্ঠাতা, মহান সংস্কারক, মোহাম্মদী ইসলামের পুনর্জীবনদানকারী,যুগের ইমাম, আম্বিয়ায়ে কেরামের ধর্মের দায়িত্ব ও বেলায়েত লাভকারী, আল্লাহর দেয়া পুরস্কার: পূর্ণিমার চাঁদে বাবা দেওয়ানবাগীর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি- সূফী সম্রাট হযরত সৈয়দ মাহবুব এ খোদা দেওয়ানবাগী (রহ.) ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ইং সোমবার ওফাত লাভ করেন। তিনি সঠিকভাবে মোহাম্মদী ইসলাম পরিচালনার জন্য ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ইং রবিবার, উপস্থিত ৪ পুত্র, ২ কন্যা, তাঁর স্ত্রী, ২ পুত্রবধু ও খাদেমদের সম্মুখে কতিপয় নির্দেশনামূলক অছিয়ত করেন। নিম্নে অছিয়তসমূহ উল্লেখ করা হলো-

১। আমি মেজো হুজুরকে ( ইমাম ড. আরসাম কুদরত এ খোদা) মোহাম্মদী ইসলাম পরিচালনার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দায়িত্ব দিয়েছি। আর তোমরা ৩ ভাই ও ২ বোন তাঁকে সহযোগিতা করবে।

২। মেজো হুজুর সকল দরবার, খানকাহ শরীফ, আশেকে রাসুল মজলিস কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে। আর তোমরা যার যার স্থান থেকে আঞ্চলিক দরবারসমূহ পরিচালনা করবে।

৩। জায়গা জমির সকল কাজ, মামলা মোকদ্দমা কদর (মেজো হুজুর) দেখবে। প্রশাসনিক সকল কাজও কদর দেখবে। তোমরা ওকে সহযোগিতা করবে। কোনোভাবেই জাকেরদের কথা শুনে তোমরা কেউ কদরের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করবে না। তোমাদেরকে কুপরামর্শ দিয়ে কদরের পিছনে লাগাবে, তোমরা এগুলি বিশ্বাস করবে না। তামিন (তাহমিনা) আমার কাছে কদরের নামে অনেক মিথ্যা বিচার দিতো। তামিন (তাহমিনা) তোমাদের চরম শত্রু। সাঈদুরের চেয়ে তামিনটা বড়ো বেশি খারাপ। ও (তাহমিনা) সাহস না দিলে সাঈদুর একা আমার বিরুদ্ধে এতো কিছু করতে পারতো না।

৪। আমি তোমাদের ৪ জনকে ইমাম বলেছি। এও বলেছি যে, আমার দরবারে কেউ পির হবে না। সাঈদুর নিজে পির হওয়ার জন্য এতো কিছু করেছে। 

৫। এই তরিকা আমার সাজানো বাগান। আমি এটা জলে ভেসে যেতে দেবো না। এই যুদ্ধে কদর যদি আমার পাশে এগিয়ে না আসত, তাহলে তোমাদের অস্তিত্ব থাকত না। 

৬। দয়াল বাবাজান তাঁর ৪ সাহেবজাদাকে একমতে চলার নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, বিপথগামী সাঈদুর, তার স্ত্রী এবং পরিবার বা তাদের অনুসারীদের কুপরামর্শে নিজেদের মধ্যে ফেৎনা তৈরি করবে না। 

৭। ওরা তোমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তোমরা সব সময় সতর্ক থাকবে। 

৮। তোমরা তামিনকে (তাহমিনা) কখনও সুযোগ দিবে না।

৯। আমার পরেই মোহাম্মদী ইসলাম শেষ নয়, তোমরা মোহাম্মদী ইসলামকে সামনে এগিয়ে নিবে।

১০। তোমরা ইমানের উপর কায়েম থাকবে। কখনও ইমানহারা হবে না। 

পরিশেষে, কেউ যেন মেজো সাহেবজাদা ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মাঃআঃ) হুজুর- এর বিরুদ্ধাচারণ না করে সেই বিষয়ে দয়াল বাবাজান সবাইকে অঙ্গীকার করান। দয়াল বাবাজানের ওফাতের পর তাঁর জানাজার নামাজের পূর্বে কনিষ্ঠ সাহেবজাদা ইমাম ড. সৈয়দ এ.এফ.এম. মঞ্জুর-এ-খোদা (মা. আ.) হুজুর পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ আশেকে রাসুলের উদ্দেশে উল্লিখিত অছিয়তটি পাঠ করে শোনান। অতঃপর বড়ো সাহেবজাদা ইমাম ড. সৈয়দ এ.এফ.এম. নূর-এ-খোদা আল আজহারী (মা. আ.) হুজুর, সেজো সাহেবজাদা ইমাম ড. সৈয়দ এ.এফ.এম. ফজল-এ-খোদা (মা. আ.) হুজুর ও ছোটো সাহেবজাদা ইমাম ড. সৈয়দ এ.এফ.এম. মঞ্জুর-এ-খোদা (মা. আ.) হুজুর তাঁদের বক্তব্যে বলেন যে, তাঁরা এই অছিয়তনামাটি পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ এবং মোহাম্মদী ইসলামকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁরা মেজো সাহেবজাদা ইমাম প্রফেসর ড. আরসাম কুদরত এ খোদা (মা. আ.) হুজুরকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।